নিজ এলাকা থেকে ই-কমার্স ব্যবসা করুন সেলার হাটের সাথে
সাধারনত শহর বা বানিজ্যিক নগরী থেকেই ই-কমার্স বা অনলাইন শপগুলো পরিচালিত হয় বিশেষ করে গ্যাজেট আইটেম, কসেমেটিকস, ফ্যাশন সামগ্রী যা সংগ্রহ করতে হয় বানিজ্যিক শহরগুলো থেকে। মফস্বল কিংবা গ্রামে উৎপাদিত কিছু কিছু পণ্য ই-কমার্স সিস্টেমে বাজারজাত করা হলেও বিভিন্ন কারনে তা এখানো সেভাবে ব্যাপকতা পায়নি।
পণ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও সরবরাহ বা ডেলিভারী সিস্টেম সঠিক হলে যে কোন ব্যবসায় উন্নতি করা সম্ভব বিশেষ করে ই-কমার্স ব্যবসার জন্য এই তিনটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ।
ই-কমার্সের জন্য আরো একটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ যেটি ছাড়া ই-কমার্স পরিপূর্ণতা পায় না তা হলো ওয়েবসাইট বা প্লাটফর্ম।
একই সাথে সবগুলো বিষয় (পণ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ, ডেলিভারী ও ওয়েবসাইট) সমাধান করে একটা ই-কমার্স প্লাটফর্ম দাঁড় করানো মোটেও সহজ বিষয় নয় বিশেষ করে যে সকল উদ্যোক্তার জন্য পুঁজি/বিনিয়োগ কম তাদের জন্য আরও কষ্টসাধ্য বিষয়। শুধুমাত্র ফেসবুক পেজ ভিত্তিক ব্যবসা মোটেও দীর্ঘমেয়াদী কোন সমাধান নয়। যে ব্যবসা আমরা ফেসবুকে ডলার ব্যয় করে করতে পারছি সে ব্যবসা আমরা আরও একটু সহজে করতে পারি তবে এজন্য আমাদের একত্রিত হতে হবে।
কিভাবে সেলার হাটের সাথে কাজ করবেন?
ক) অল্প পুঁজি নিয়েও এ ব্যবসা শুরু করতে পারবেন
খ) শুধুমাত্র বহুল প্রচলিত কিছু পণ্য নিয়ে সেলার পয়েন্ট সাজাবেন
গ) হোম ডেলিভারীর ব্যবস্থা করতে হবে যাতে ক্রেতারা ঘরে বসেই পণ্য হাতে পায়
ঘ) কম্পিউটার বা ল্যাপটপ অথবা স্মার্টফোন থাকতে হবে
ঙ) নিজ নিজ এলাকা বিক্রয় নিশ্চিত করতে হবে।
সেলার পয়েন্ট করে কি পাবেন?
ক) প্রতিটি পণ্যের লভ্যাংশের ৫০-৭০ শতাংশ পাবেন
খ) প্রতি মাসে স্পেশাল উপহার থাকবে সেরা বিক্রেতার জন্য
গ) প্রতি ছয় মাস পরপর বোনাস থাকবে সেরা পারফর্মারদের জন্য
অন্যান্যঃ
ক) অবিক্রিত পন্য অক্ষত অবস্থায় ফেরত নেয়া হবে শর্তসাপেক্ষে
খ) সেলার পয়েন্ট স্টকে নেই এমন পণ্য বিক্রিতেও কমিশন থাকবে
গ) কোন ধরনের ক্রেতা অভিযোগ গ্রহণযোগ্য হবে না
ঘ) ওয়েবসাইটে উল্লেখিত মূল্যের বেশি দামে বিক্রয়ের কোন সুযোগ নেই
