For a better experience please change your browser to CHROME, FIREFOX, OPERA or Internet Explorer.
ই-কমার্সের ধরন ও কেন C2C

ই-কমার্সের ধরন ও কেন C2C

ইন্টারনেটের মাধ্যমে ব্যবসায়িক লেনদেন ও সুবিধা ব্যবহার করাকে ই-কমার্স বলে। এটি ইন্টারনেট কমার্সকে সংক্ষেপে ই-কমার্স বলা হয়। অনলাইনে পণ্য বেচাকেনা এর সহজ উদাহরণ। বস্তুত, যে কোনো ব্যবসায় ইলেক্ট্রনিক্সের মাধ্যমে পরিচালনা করাই হল ই-কমার্স।

আচ্ছা প্রথমে দেখে নেই ই-কমার্স আসলে কি?
———————————————————
ই-কমার্স আসলে কোন ব্যবসা না। এটা কোন ব্যবসার মডেলও না। এটাই সত্যি। তাহলে প্রশ্ন জাগছে মনে – ই-কমার্স তাহলে কি ?
ই-কমার্স এর সোজা অর্থ করলে যা দাঁড়ায় ইলেক্ট্রনিক্স কমার্স।
ই-কমার্স হচ্ছে, কোন বানিজ্যের ইলেক্ট্রিকিকরন মানে প্রযুক্তির ব্যবহার সংমিশ্রিতি করে বানিজ্যের প্রসেসকে সহজীকরনের পাশাপাশি প্রসারও বৃদ্ধি করা।

# মূলত ই-কমার্স একটি টুলস। এই টুলসের মাধ্যমে আপনি আপনার যে কোন ব্যবসাতে প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিতকরনের মাধ্যমে আপনার ব্যবসার প্রসেস ও প্রসারকে বৃদ্ধি করতে পারেন। পাশাপাশি অভ্যান্তরীন ব্যবস্থাপনা ও ভোক্তার জন্যে পণ্য বা সেবা প্রাপ্তির নিশ্চয়তাকে সহজতর করে তুলতে পারেন।

ই-কমার্সের প্রকারভেদঃ
——————————-
• ব্যবসা-থেকে-ব্যবসা (B2B)ঃ ব্যবসা-থেকে-ব্যবসা ই-কমার্স সম্পাদিত হয় একাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে। ৮০ শতাংশের (৮০%) মত ইলেকট্রনিক কমার্স ব্যবসা-থেকে-ব্যবসা প্রকার এর অন্তর্ভুক্ত।
• ব্যবসা-থেকে-গ্রাহক (B2C)ঃ ব্যবসা-থেকে-গ্রাহক ইলেকট্রনিক কমার্স সম্পাদিত হয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও গ্রাহকের মধ্যে। এই প্রকারে দ্বিতীয় সর্বাপেক্ষা বেশি ইলেকট্রনিক বাণিজ্য সম্পাদন হয়ে থাকে। যেমনঃ Daraz, Ajkerdeal, Rokomari, Best Mart, Toner Haat.
• ব্যবসা-থেকে-সরকার (B2G)ঃ ব্যবসা-থেকে-সরকার ইলেকট্রনিক কমার্স সম্পাদিত হয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্রীয় খাতের মধ্যে। এটি সাধারনত ব্যবহৃত হয়ে থাকে রাষ্ট্রীয় কেনা/বেচা, লাইসেন্স সংক্রান্ত কার্যাবলী, কর প্রদান ইত্যাদি ক্ষেত্রে।
• গ্রাহক-থেকে-গ্রাহক (C2C)ঃ গ্রাহক-থেকে-গ্রাহক ইলেকট্রনিক কমার্স সম্পাদিত হয় একাধিক ব্যক্তি ও গ্রাহকের মধ্যে। ইলেকট্রনিক বাজার ও অনলাইন নিলাম এর মাধ্যমে সাধারণত এই ধরনের বাণিজ্য সম্পাদিত হয়। যেমনঃ Bikroy.com, Sellerhaat.com
• গ্রাহক-থেকে-ব্যবসা (C2B)ঃ গ্রাহক থেকে ব্যবসা বলতে যখন ইলেকট্রনিক্স কর্মাস সম্পাদিত হয় গ্রাহক ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে যেমনঃ ফিভার, ফ্রিল্যান্সার ইত্যাদি
• মোবাইল কমার্স (m-commerce)ঃ মোবাইল কমার্স ইলেকট্রনিক কমার্স সম্পাদিত হয়। তারবিহীন প্রযুক্তি যেমন মোবাইল হ্যান্ডসেট বা পারসোনাল ডিজিটাল অ্যাসিস্টেন্ট (PDA) এর মাধ্যমে। তারবিহীন যন্ত্রের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের গতি ও নিরাপত্তা বৃদ্ধির সাথে সাথে এই ধরনের বাণিজ্য জনপ্রিয়তা লাভ করছে।

কেন C2C?
C2C
মানে Customer to Customer অর্থাৎ যিনি ক্রেতা তিনিই যখন অন্য একজনের কাছে পণ্য বিক্রয় করে তাকে বলা হয়। একজন গ্রাহক বা ক্রেতা অন্য একজন গ্রাহক বা ক্রেতার সাথে যোগাযোগ করে পণ্য আদান-প্রদানই হলো সি-টু-সি।
সি-টু-সি এর অন্যতম উদাহরন হলো Bikroy.com, Sellerhaat.com ইত্যাদি আরো অনেক ওয়েবপ্লাটফর্ম রয়েছে তবে সবচেয়ে চলমান ও জনপ্রিয় হলো ফেসবুক মার্কেটিং।
সি-টু-সি এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এটিতে অন্যের উপর পেমেন্ট বা ডেলিভারীর জন্য নির্ভর করতে হয় না। ক্রেতা ও বিক্রেতার মাঝে সঠিক সমঝোতার মাধ্যমে এটি সহজবোধ্য হয়।
পণ্যের দায় বিক্রেতার এবং পণ্য বুঝে নেয়ার দায়িত্ব ক্রেতার।

ইকমার্স বিষয়ে আমরা আরো ব্যাপক আলোচনা করবো পর্যায়ক্রমে। এখন যারা সি-টু-সি C2C নিয়ে কাজ করতে চান তারা আমাদের Sellerhaat.com এই সাইটটি ব্যবহার করতে পারেন এখানে ৫টি বিজ্ঞাপন সম্পূর্ন ফ্রি। যদি ৫টি বিজ্ঞাপন দিয়ে আপনার ভাল মনে হয় আপনি প্যাকেজ কিনতে পারেন।
ধন্যবাদ

leave your comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Categories

Top